সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তরঃ
১।। বাণিজ্যিক বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ ব্যবহারে করণীয় কী ?
উত্তরঃ বিণিজ্যিক কাজে বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ ব্যবহার করতে গেলে অবশ্যই বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদটির যিনি স্বত্বাধিকারী তার থেকে যথাযথ আনুষ্ঠানিক অনুমতি নিয়ে, তার সঙ্গে চুক্তিপত্র করে তবেই বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা যাবে।
২।।বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বিনা অনুমতিতে কেউ ব্যবহার করলে আমাদের করণীয় কী ?
উত্তরঃ প্রথমেই আমাদেরকে বাণিজ্যিক বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের ট্রেডমার্ক করিয়ে নিতে হবে। ট্রেডমার্ক করার পরে ও যদি কেউ নকল করে তবে আমরা একজন বিজ্ঞ উকিলের সঙ্গে পরামর্শ করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
৩।। ট্রেডমার্ক কী ?
উত্তরঃ ট্রেডমার্ক হলো কোনো স্বতন্ত্র প্রতীক বা লোগো বা নাম বা স্লোগান, যেটি দিয়ে একটি বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদকে একই ধরনের অন্য কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ থেকে পার্থক্য করা যায়।
৪।। বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ রক্ষার্থে করণীয় কী ?
উত্তরঃ একতি প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদকে বাণিজ্যিকভাবে বাজারজাত করার সময় তাদের সেই সম্পদে।র জন্য নির্দিষ্ট ট্রেডমার্ক নিবন্ধন করেন । ফলে অন্য কেউ চাইলেই ইচ্ছেমতো তার সেই বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ নকল করে বাজারজাত করতে পারে না। এর ফলে স্বত্বাধিকারীর অধিকার সংরক্ষিত হবে ও অন্য কেউ তার বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের অপব্যবহার করতে গেলে তিনি আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন।
৫।। বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ নিয়ে প্রতিবেদন তৈরিতে কী কী বিষয় উল্লেখ থাকতে হয়?
উত্তরঃ বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ নিয়ে প্রতিবেদন তৈরিতে যে যে বিষয় উল্লেখ থাকতে হয় তা নিচে উল্লেখ করা হলো-
৬।। Pirated বা চোরাই কপি কী?
উত্তরঃ কপিরাইট আইন ভঙ্গ করে পুনরায় উৎপাদন করা কোনো কর্মকে বলা হয় পাইরেটেড বা চোরাই কপি। কম্পিউটারে বিষয়গুলো সহজে কপি করা যায়। চোরাই কপি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের পরিপন্থি ও অনৈতিক কাজ।
৭।। বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের ট্রেডমার্ক করার ধাপগুলো উল্লেখ করো।
উত্তরঃ নিম্নে বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের ট্রেডমার্ক করার ধাপগুলো উল্লেখ করা হলো--
# প্রথমে ফি সহ আবেদন করতে হবে।
# দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সবধরনের যাচাই বাচাই করবেন ।
# দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সব ধরনের যাচাই শেষে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি দেবেন এই সম্পদের ব্যাপারে আর কারো আপত্তি আছে কিনা তা দেখার জন্য ।
# অবশেষে কারো কোনো আপত্তি না থাকলে দায়িত্বশীল কর্মকর্তা উক্ত সম্পদের ট্রেডমার্ক নিবন্ধন সম্পন্ন করেন,
# স্বত্বাধিকারীকে একটি ট্রেডমার্ক সনদ প্রদান করেন।
৮।। কপিরাইট আইন কী ? কপিরাইটের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করো ।
উত্তরঃ কপিরাইট আইনঃ সৃজনশীল সৃষ্টিকর্মের কপি বা পুনরায় উৎপাদন, অবৈধ ব্যবহার ইত্যাদি বন্ধ করার জন্য যে বিধান তাই কপিরাইট আইন।
কপিরাইটের প্রয়োজনীয়তাঃ কপিরাইট আইন কোনো লেখকের সৃষ্টিকর্মকে তার ইচ্ছেমতো ব্যবহারের একচ্ছত্র অধিকার প্রদান করে। কারণ যদি মেধাস্বত্বকে গুরুত্ব না দেওয়া হয় তাহলে উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতা ব্যহত হবে। কাজেই এমন একটি ব্যবস্থা থাকা দরকার যাতে সৃজনশীল কর্মের যারা স্রষ্টা তাদের অধিকার অক্ষুন্ন থাকে।
উত্তরঃ বিণিজ্যিক কাজে বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ ব্যবহার করতে গেলে অবশ্যই বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদটির যিনি স্বত্বাধিকারী তার থেকে যথাযথ আনুষ্ঠানিক অনুমতি নিয়ে, তার সঙ্গে চুক্তিপত্র করে তবেই বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা যাবে।
২।।বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বিনা অনুমতিতে কেউ ব্যবহার করলে আমাদের করণীয় কী ?
উত্তরঃ প্রথমেই আমাদেরকে বাণিজ্যিক বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের ট্রেডমার্ক করিয়ে নিতে হবে। ট্রেডমার্ক করার পরে ও যদি কেউ নকল করে তবে আমরা একজন বিজ্ঞ উকিলের সঙ্গে পরামর্শ করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
৩।। ট্রেডমার্ক কী ?
উত্তরঃ ট্রেডমার্ক হলো কোনো স্বতন্ত্র প্রতীক বা লোগো বা নাম বা স্লোগান, যেটি দিয়ে একটি বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদকে একই ধরনের অন্য কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ থেকে পার্থক্য করা যায়।
৪।। বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ রক্ষার্থে করণীয় কী ?
উত্তরঃ একতি প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদকে বাণিজ্যিকভাবে বাজারজাত করার সময় তাদের সেই সম্পদে।র জন্য নির্দিষ্ট ট্রেডমার্ক নিবন্ধন করেন । ফলে অন্য কেউ চাইলেই ইচ্ছেমতো তার সেই বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ নকল করে বাজারজাত করতে পারে না। এর ফলে স্বত্বাধিকারীর অধিকার সংরক্ষিত হবে ও অন্য কেউ তার বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের অপব্যবহার করতে গেলে তিনি আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন।
৫।। বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ নিয়ে প্রতিবেদন তৈরিতে কী কী বিষয় উল্লেখ থাকতে হয়?
উত্তরঃ বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ নিয়ে প্রতিবেদন তৈরিতে যে যে বিষয় উল্লেখ থাকতে হয় তা নিচে উল্লেখ করা হলো-
| প্রাথমিক প্রশ্ন | ১। আইনি ঘটনাটি বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ? ২। ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুই পক্ষের ব্যাপারে তথ্য দেওয়া আছে? |
|---|---|
| পরবর্তী প্রশ্ন | ৩। ব্যক্তিগত নাকি বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার নিয়ে সমস্যা হয়েছে? ৪। দুই পক্ষের বক্তব্যই সংবাদে আছে কী? |
| চুড়ান্ত প্রশ্ন | ৫। আদালতে কী রকম প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে? ৬। চুড়ান্ত রায় প্রদান করা হয়েছে নাকি এখনও রায় প্রদান হয়নি? |
৬।। Pirated বা চোরাই কপি কী?
উত্তরঃ কপিরাইট আইন ভঙ্গ করে পুনরায় উৎপাদন করা কোনো কর্মকে বলা হয় পাইরেটেড বা চোরাই কপি। কম্পিউটারে বিষয়গুলো সহজে কপি করা যায়। চোরাই কপি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের পরিপন্থি ও অনৈতিক কাজ।
৭।। বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের ট্রেডমার্ক করার ধাপগুলো উল্লেখ করো।
উত্তরঃ নিম্নে বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের ট্রেডমার্ক করার ধাপগুলো উল্লেখ করা হলো--
# প্রথমে ফি সহ আবেদন করতে হবে।
# দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সবধরনের যাচাই বাচাই করবেন ।
# দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সব ধরনের যাচাই শেষে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি দেবেন এই সম্পদের ব্যাপারে আর কারো আপত্তি আছে কিনা তা দেখার জন্য ।
# অবশেষে কারো কোনো আপত্তি না থাকলে দায়িত্বশীল কর্মকর্তা উক্ত সম্পদের ট্রেডমার্ক নিবন্ধন সম্পন্ন করেন,
# স্বত্বাধিকারীকে একটি ট্রেডমার্ক সনদ প্রদান করেন।
৮।। কপিরাইট আইন কী ? কপিরাইটের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করো ।
উত্তরঃ কপিরাইট আইনঃ সৃজনশীল সৃষ্টিকর্মের কপি বা পুনরায় উৎপাদন, অবৈধ ব্যবহার ইত্যাদি বন্ধ করার জন্য যে বিধান তাই কপিরাইট আইন।
কপিরাইটের প্রয়োজনীয়তাঃ কপিরাইট আইন কোনো লেখকের সৃষ্টিকর্মকে তার ইচ্ছেমতো ব্যবহারের একচ্ছত্র অধিকার প্রদান করে। কারণ যদি মেধাস্বত্বকে গুরুত্ব না দেওয়া হয় তাহলে উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতা ব্যহত হবে। কাজেই এমন একটি ব্যবস্থা থাকা দরকার যাতে সৃজনশীল কর্মের যারা স্রষ্টা তাদের অধিকার অক্ষুন্ন থাকে।
বহুনির্বাচনি অভিক্ষা
১।। মৈমনসিংহ গীতিকা কী?
(ক) রচনা গ্রন্থ (খ)ব্যাখ্যা গ্রন্থ (গ)সংকলন গ্রন্থ (ঘ)প্রবন্ধ গ্রন্থ
২।। মৈমনসিংহ গীতিকায় কী লিপিবদ্ধ আছে?
(ক)কুমিল্লা অঞ্চলের জারিগান (খ)ময়মনসিংহ অঞ্চলের পালাগান (গ)হাওর এলাকার সারি গান (ঘ)হাওর এলাকার ভাটিয়ালিগান
৩।। মৈমনসিংহ সিংহ গীতিকা কে প্রথম সংগ্রহ করেন?
(ক)চন্দ্রকুমার দাস (খ)চন্দ্রকুমার সাহা (গ)অতীশ দীপঙ্কর (ঘ)শ্রী রাম চক্রবর্তী
৪।। কোন শিল্প ও সাহিত্যকর্ম কখন বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদে রুপান্তর হয়?
(ক)যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রকাশ হলে (খ) নিজের কাছে গোপন রাখলে (গ) নিজে প্রকাশ করলে (ঘ)কাউকে বযবহার করতে দিলে
৫।। বাণিজ্যিক বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ রক্ষার্থে আমাদের কী করা উচিৎ?
(ক)ট্রডমার্ক করা (খ)বাজারজাত করা (গ)গোপন করা (ঘ) কম দামে বিক্রি করা
৬।। WTO এর পূর্ণরূপ কোনটি?
(ক)World Transfer Organization (খ)World Trade Organization (গ)World Tander Organization (ঘ) World Transition Organization
৭।। কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের ক্ষতিপূরণ বা আইনি সুবিধা পাওয়ার পূর্বশর্ত কী?
(ক)সম্পদের গোপনীয়তা (খ) সম্পদের ট্রেডমার্ক (গ) সম্পদের প্রক্রিয়াকরণ (ঘ) সম্পদ যথাযথভাবে সংরক্ষণ
৮।। কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের ট্রেডমার্ক নবন্ধনের ধাপ কয়টি?
(ক) ২ (খ) ৩ (গ) ৪ (ঘ) ৫
৯।। বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের বাণিজ্যিকীকরণ করার জন্য কী প্রয়োজন?
(ক) ট্রেডমার্ক (খ)জন্ম নিবন্ধন (গ)আইডি কার্ড (ঘ)সম্মতিপত্র
১০।। বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের স্বত্বাধিকারী নিতে হয় কোন অধিদপ্তর থেকে?
(ক)পেটেন্ট , ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর (খ) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (গ)শিক্ষা অধিদপ্তর (ঘ)কোনোটিই নয়
১১।। বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ ব্যবহার করা যাবে না-
i. স্বত্বাধিকারীর অনুমতি ছাড়া
ii. হীন স্বার্থ হাসিলের জন্য
iii রাষ্ট্র বিরোধী কর্মকান্ডে
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক)i ও ii (খ) i ও iii (গ) ii ও iii (ঘ) i, ii ও iii
১২।। বাণিজ্যিক কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাদের কী মেনে চলতে হয়?
(ক)আচরণ বিধি (খ)নীতিমাল (গ) নিয়ম-শৃঙ্খলা (ঘ)কোম্পানি আইন
১৩।। কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের ব্যবহারকারীর জন্য স্বত্বাধিকারী কী তৈরি করবেন?
(ক)আচরণ-বিধি (খ) শৃঙ্খলা -বিধি (গ)নীতিমালা (ঘ)ব্যবহার কৌশল
১৪।। কপিরাইট আইনের লক্ষ্য কী?
(ক)সঠিক অর্থ প্রদান করা (খ) পাইরেসি রোধ করা (গ) সৃজনশীল কর্মিদের সৃজন কর্মকে রক্ষার অধিকার প্রদান করা (ঘ)উৎসাহিত করা
১৫।। কম্পিউটারে তৈরি করা সৃজনশীল কর্মের অনুমতি ব্যতীত প্রতিলিপি তৈরি করাকে কী বলে?
(ক) কপি (খ) অনুলিপি (গ) পাইরেসি (ঘ) কপিরাইট
১৬।। কপিরাইট আইনের আওতায় একজন কপিরাইট হোল্ডার কোন সুবিধাটি পায়?
(ক)সৃষ্টিকর্মের একচ্ছত্র অধিকার (খ) মূল্য পাবার অধিকার (গ)পরিমার্জন করার অধিকার (ঘ) কপি করার অধিকার
১৭।। কোনো সফটওয়্যার বিনা অনুমতিতে কপি করাকে কী বলে?
(ক) Piracy (খ) IAD (গ) Hang (ঘ) Narcissism
১৮।। পাইরেসি কী?
(ক) কপিরাইট বিঘ্নিত করা (খ)কপিরাইট সংরক্ষণ করা (গ) কপিরাইট পরিবর্তন করা (ঘ) কপিরাইট প্রভাবিত করা
১৯।। পাইরেসি বলতে বুঝায়--
i.অনুমতি ব্যতীত কোনো সৃষ্টিকর্মের প্রতিলিপি তৈরি করা
ii. কপিরাইট হোল্ডারের অধিকার ক্ষুন্ন করে এমন কাজ করা
iii. মুদ্রিত পুস্তকের পুণ্মুদ্রণ করা
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক)i ও ii (খ) i ও iii (গ) ii ও iii (ঘ) i, ii ও iii
২০।। পাইরেসি করা যায়-- i. হার্ডওয়্যারের
ii. গ্রন্থের
iii সফটওয়্যারের
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক)i ও ii (খ) i ও iii (গ) ii ও iii (ঘ) i, ii ও iii
২১।। পাইরেসি রোধ করতে প্রয়োজন - i.কপিরাইট আইনের প্রয়োগ
ii. সচেতনতা বৃদ্ধি
iii.মূল্য প্রদান করা
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক)i ও ii (খ) i ও iii (গ) ii ও iii (ঘ) i, ii ও iii
২২।। কে সৃজনশীল কর্মের স্রষ্টাকে তার সৃষ্টি কর্মের উপর স্বত্বাধিকার দেয়?
(ক) রাষ্ট্র (খ)নিয়মনীতি (গ)কপিরাইট আইন (ঘ) তথ্য অধিকার আইন
২৩।। কে সৃজনশীল কর্মের স্রষ্টাকে তার কর্মের বিনিয়োগের সুফল ভোগ করার অধিকার দিয়েছে?
(ক) কপিরাইট (খ) কপিরাইট আইন (গ) তথ্য অধিকার আইন (ঘ) মানবাধিকার সংস্থা
২৪।। কপিরাইট আইনের কার্যকারিতা কাদের নিরুৎসাহিত হওয়া থেকে রক্ষা করে?
(ক)সৃজনশীল কর্মীদের (খ) নির্মাতাদের (গ) প্রোগ্রামারদের (ঘ)ডিজাইনারদের
২৫।। কপিরাইট আইন কাদের অধিকারভুক্ত?
(ক) প্রকাশকের (খ) পাঠকের (গ) সৃষ্টিকর্মের মালিকের (ঘ) রাষ্ট্রের
২৬।। সৃজনশীল কর্ম্পদ্ধতির জন্য প্রয়োজন --
i.মেধা
ii. শ্রেম
iii. মূল্য
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক)i ও ii (খ) i ও iii (গ) ii ও iii (ঘ) i, ii ও iii
২৭।। কপিরাইট আইন--
i.সৃজনশীল কর্মের মালিকানা নিশ্চিত করে
ii.শিক্ষা উপকরণ এর ক্ষেত্রে প্রয়োজন নহে
iii.সৃজনশীল কাজের বাণিজ্যিক সুবিধা নিশ্চিত করে
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক)i ও ii (খ) i ও iii (গ) ii ও iii (ঘ) i, ii ও iii
২৮।। কপিরাইট আইনের আওতাধীন ব্যক্তি--
i.লেখক
ii.শিল্পি
iii.প্রোগ্রামার
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক)i ও ii (খ) i ও iii (গ) ii ও iii (ঘ) i, ii ও iii
২৯।। কপিরাইট আইনের লক্ষ্য হলো -
i. সৃষ্টিকর্মকে সংরক্ষণ করার অধিকার প্রদান
ii.নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি
iii.সৃজনশীল কর্মীদের বিনিয়োগের সুফল প্রদান
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক)i ও ii (খ) i ও iii (গ) ii ও iii (ঘ) i, ii ও iii
৩০।। কপিরাইট আইন যেভাবে কপিরাইট হোল্ডারদের সুবিধা প্রদান করে--
i. নিরাপত্তা প্রদানের মাধ্যমে
ii.সৃষ্টি কর্মের অধিকার সংরক্ষণের মাধ্যমে
iii.ভাইরাস থেকে রক্ষা করে
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক)i ও ii (খ) i ও iii (গ) ii ও iii (ঘ) i, ii ও iii
৩১।। বইয়ের বিক্রয়মূল্যের যে অংশ লেখক পান তাকে কী বলে?
(ক) রয়্যালিটি (খ) প্রোপার্টি (গ) এ্যাসেট (ঘ) লাইবেলিটিস
৩২।। কখন থেকে বই কপি বা নকল করাটা সহজ হয়েছে?
(ক)মুদ্রন যন্ত্র আবিস্কারের পূর্বে (খ) মুদ্রন যন্ত্র আবিস্কারের পর (গ) কম্পিউটার তৈরির পর (ঘ)ইন্টারনেট চালুর পর
৩৩।। কপিরাইট আইন সর্ব প্রথম কোথায় প্রনয়ন করা হয়?
(ক)নেপালে (খ) যুক্তরাষ্ট্রে (গ)যুক্তরাজ্যে (ঘ)রাশিয়ায়
৩৪।। লেখক শিল্পী নাট্যকারের মৃত্যুর পর কপিরাইট আইন কত বছর বলবৎ থাকে?
(ক)৪০-৫০ বছর (খ)৫০-৭০ বছর (গ)৬০-৮০ বছর (ঘ)৭০-৯০ বছর
৩৫।। সৃজনশীল কর্মকে শর্তসাপেক্ষে কপি করার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়াকে কী বলে?
(ক)পাইরেটেড (খ)ফেয়ার ইউজ (গ)ওপেন সোর্স ফিলসফি (ঘ) ওপেন সোর্স সফটওয়্যার
৩৬।। কপিরাইটের একেবারে উল্টোটি কী?
(ক) পাইরেটেড কপি (খ) কপিলেফট (গ)ফেয়ার ইউজ (ঘ)ওপেন সোর্স ফিলসফি
৩৭।।
(ক) (খ) (গ) (ঘ)
(ক) (খ) (গ) (ঘ)
(ক) (খ) (গ) (ঘ)
(ক) (খ) (গ) (ঘ)
i.
ii.
iii.
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক)i ও ii (খ) i ও iii (গ) ii ও iii (ঘ) i, ii ও iii
i.
ii.
iii.
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক)i ও ii (খ) i ও iii (গ) ii ও iii (ঘ) i, ii ও iii
i
ii
iii
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক)i ও ii (খ) i ও iii (গ) ii ও iii (ঘ) i, ii ও iii
i
ii
iii
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক)i ও ii (খ) i ও iii (গ) ii ও iii (ঘ) i, ii ও iii
i
ii
iii
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক)i ও ii (খ) i ও iii (গ) ii ও iii (ঘ) i, ii ও iii
(ক) রচনা গ্রন্থ (খ)ব্যাখ্যা গ্রন্থ (গ)সংকলন গ্রন্থ (ঘ)প্রবন্ধ গ্রন্থ
২।। মৈমনসিংহ গীতিকায় কী লিপিবদ্ধ আছে?
(ক)কুমিল্লা অঞ্চলের জারিগান (খ)ময়মনসিংহ অঞ্চলের পালাগান (গ)হাওর এলাকার সারি গান (ঘ)হাওর এলাকার ভাটিয়ালিগান
৩।। মৈমনসিংহ সিংহ গীতিকা কে প্রথম সংগ্রহ করেন?
(ক)চন্দ্রকুমার দাস (খ)চন্দ্রকুমার সাহা (গ)অতীশ দীপঙ্কর (ঘ)শ্রী রাম চক্রবর্তী
৪।। কোন শিল্প ও সাহিত্যকর্ম কখন বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদে রুপান্তর হয়?
(ক)যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রকাশ হলে (খ) নিজের কাছে গোপন রাখলে (গ) নিজে প্রকাশ করলে (ঘ)কাউকে বযবহার করতে দিলে
৫।। বাণিজ্যিক বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ রক্ষার্থে আমাদের কী করা উচিৎ?
(ক)ট্রডমার্ক করা (খ)বাজারজাত করা (গ)গোপন করা (ঘ) কম দামে বিক্রি করা
৬।। WTO এর পূর্ণরূপ কোনটি?
(ক)World Transfer Organization (খ)World Trade Organization (গ)World Tander Organization (ঘ) World Transition Organization
৭।। কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের ক্ষতিপূরণ বা আইনি সুবিধা পাওয়ার পূর্বশর্ত কী?
(ক)সম্পদের গোপনীয়তা (খ) সম্পদের ট্রেডমার্ক (গ) সম্পদের প্রক্রিয়াকরণ (ঘ) সম্পদ যথাযথভাবে সংরক্ষণ
৮।। কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের ট্রেডমার্ক নবন্ধনের ধাপ কয়টি?
(ক) ২ (খ) ৩ (গ) ৪ (ঘ) ৫
৯।। বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের বাণিজ্যিকীকরণ করার জন্য কী প্রয়োজন?
(ক) ট্রেডমার্ক (খ)জন্ম নিবন্ধন (গ)আইডি কার্ড (ঘ)সম্মতিপত্র
১০।। বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের স্বত্বাধিকারী নিতে হয় কোন অধিদপ্তর থেকে?
(ক)পেটেন্ট , ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর (খ) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (গ)শিক্ষা অধিদপ্তর (ঘ)কোনোটিই নয়
১১।। বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ ব্যবহার করা যাবে না-
i. স্বত্বাধিকারীর অনুমতি ছাড়া
ii. হীন স্বার্থ হাসিলের জন্য
iii রাষ্ট্র বিরোধী কর্মকান্ডে
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক)i ও ii (খ) i ও iii (গ) ii ও iii (ঘ) i, ii ও iii
১২।। বাণিজ্যিক কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাদের কী মেনে চলতে হয়?
(ক)আচরণ বিধি (খ)নীতিমাল (গ) নিয়ম-শৃঙ্খলা (ঘ)কোম্পানি আইন
১৩।। কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের ব্যবহারকারীর জন্য স্বত্বাধিকারী কী তৈরি করবেন?
(ক)আচরণ-বিধি (খ) শৃঙ্খলা -বিধি (গ)নীতিমালা (ঘ)ব্যবহার কৌশল
১৪।। কপিরাইট আইনের লক্ষ্য কী?
(ক)সঠিক অর্থ প্রদান করা (খ) পাইরেসি রোধ করা (গ) সৃজনশীল কর্মিদের সৃজন কর্মকে রক্ষার অধিকার প্রদান করা (ঘ)উৎসাহিত করা
১৫।। কম্পিউটারে তৈরি করা সৃজনশীল কর্মের অনুমতি ব্যতীত প্রতিলিপি তৈরি করাকে কী বলে?
(ক) কপি (খ) অনুলিপি (গ) পাইরেসি (ঘ) কপিরাইট
১৬।। কপিরাইট আইনের আওতায় একজন কপিরাইট হোল্ডার কোন সুবিধাটি পায়?
(ক)সৃষ্টিকর্মের একচ্ছত্র অধিকার (খ) মূল্য পাবার অধিকার (গ)পরিমার্জন করার অধিকার (ঘ) কপি করার অধিকার
১৭।। কোনো সফটওয়্যার বিনা অনুমতিতে কপি করাকে কী বলে?
(ক) Piracy (খ) IAD (গ) Hang (ঘ) Narcissism
১৮।। পাইরেসি কী?
(ক) কপিরাইট বিঘ্নিত করা (খ)কপিরাইট সংরক্ষণ করা (গ) কপিরাইট পরিবর্তন করা (ঘ) কপিরাইট প্রভাবিত করা
১৯।। পাইরেসি বলতে বুঝায়--
i.অনুমতি ব্যতীত কোনো সৃষ্টিকর্মের প্রতিলিপি তৈরি করা
ii. কপিরাইট হোল্ডারের অধিকার ক্ষুন্ন করে এমন কাজ করা
iii. মুদ্রিত পুস্তকের পুণ্মুদ্রণ করা
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক)i ও ii (খ) i ও iii (গ) ii ও iii (ঘ) i, ii ও iii
২০।। পাইরেসি করা যায়-- i. হার্ডওয়্যারের
ii. গ্রন্থের
iii সফটওয়্যারের
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক)i ও ii (খ) i ও iii (গ) ii ও iii (ঘ) i, ii ও iii
২১।। পাইরেসি রোধ করতে প্রয়োজন - i.কপিরাইট আইনের প্রয়োগ
ii. সচেতনতা বৃদ্ধি
iii.মূল্য প্রদান করা
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক)i ও ii (খ) i ও iii (গ) ii ও iii (ঘ) i, ii ও iii
২২।। কে সৃজনশীল কর্মের স্রষ্টাকে তার সৃষ্টি কর্মের উপর স্বত্বাধিকার দেয়?
(ক) রাষ্ট্র (খ)নিয়মনীতি (গ)কপিরাইট আইন (ঘ) তথ্য অধিকার আইন
২৩।। কে সৃজনশীল কর্মের স্রষ্টাকে তার কর্মের বিনিয়োগের সুফল ভোগ করার অধিকার দিয়েছে?
(ক) কপিরাইট (খ) কপিরাইট আইন (গ) তথ্য অধিকার আইন (ঘ) মানবাধিকার সংস্থা
২৪।। কপিরাইট আইনের কার্যকারিতা কাদের নিরুৎসাহিত হওয়া থেকে রক্ষা করে?
(ক)সৃজনশীল কর্মীদের (খ) নির্মাতাদের (গ) প্রোগ্রামারদের (ঘ)ডিজাইনারদের
২৫।। কপিরাইট আইন কাদের অধিকারভুক্ত?
(ক) প্রকাশকের (খ) পাঠকের (গ) সৃষ্টিকর্মের মালিকের (ঘ) রাষ্ট্রের
২৬।। সৃজনশীল কর্ম্পদ্ধতির জন্য প্রয়োজন --
i.মেধা
ii. শ্রেম
iii. মূল্য
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক)i ও ii (খ) i ও iii (গ) ii ও iii (ঘ) i, ii ও iii
২৭।। কপিরাইট আইন--
i.সৃজনশীল কর্মের মালিকানা নিশ্চিত করে
ii.শিক্ষা উপকরণ এর ক্ষেত্রে প্রয়োজন নহে
iii.সৃজনশীল কাজের বাণিজ্যিক সুবিধা নিশ্চিত করে
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক)i ও ii (খ) i ও iii (গ) ii ও iii (ঘ) i, ii ও iii
২৮।। কপিরাইট আইনের আওতাধীন ব্যক্তি--
i.লেখক
ii.শিল্পি
iii.প্রোগ্রামার
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক)i ও ii (খ) i ও iii (গ) ii ও iii (ঘ) i, ii ও iii
২৯।। কপিরাইট আইনের লক্ষ্য হলো -
i. সৃষ্টিকর্মকে সংরক্ষণ করার অধিকার প্রদান
ii.নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি
iii.সৃজনশীল কর্মীদের বিনিয়োগের সুফল প্রদান
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক)i ও ii (খ) i ও iii (গ) ii ও iii (ঘ) i, ii ও iii
৩০।। কপিরাইট আইন যেভাবে কপিরাইট হোল্ডারদের সুবিধা প্রদান করে--
i. নিরাপত্তা প্রদানের মাধ্যমে
ii.সৃষ্টি কর্মের অধিকার সংরক্ষণের মাধ্যমে
iii.ভাইরাস থেকে রক্ষা করে
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক)i ও ii (খ) i ও iii (গ) ii ও iii (ঘ) i, ii ও iii
৩১।। বইয়ের বিক্রয়মূল্যের যে অংশ লেখক পান তাকে কী বলে?
(ক) রয়্যালিটি (খ) প্রোপার্টি (গ) এ্যাসেট (ঘ) লাইবেলিটিস
৩২।। কখন থেকে বই কপি বা নকল করাটা সহজ হয়েছে?
(ক)মুদ্রন যন্ত্র আবিস্কারের পূর্বে (খ) মুদ্রন যন্ত্র আবিস্কারের পর (গ) কম্পিউটার তৈরির পর (ঘ)ইন্টারনেট চালুর পর
৩৩।। কপিরাইট আইন সর্ব প্রথম কোথায় প্রনয়ন করা হয়?
(ক)নেপালে (খ) যুক্তরাষ্ট্রে (গ)যুক্তরাজ্যে (ঘ)রাশিয়ায়
৩৪।। লেখক শিল্পী নাট্যকারের মৃত্যুর পর কপিরাইট আইন কত বছর বলবৎ থাকে?
(ক)৪০-৫০ বছর (খ)৫০-৭০ বছর (গ)৬০-৮০ বছর (ঘ)৭০-৯০ বছর
৩৫।। সৃজনশীল কর্মকে শর্তসাপেক্ষে কপি করার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়াকে কী বলে?
(ক)পাইরেটেড (খ)ফেয়ার ইউজ (গ)ওপেন সোর্স ফিলসফি (ঘ) ওপেন সোর্স সফটওয়্যার
৩৬।। কপিরাইটের একেবারে উল্টোটি কী?
(ক) পাইরেটেড কপি (খ) কপিলেফট (গ)ফেয়ার ইউজ (ঘ)ওপেন সোর্স ফিলসফি
| (১) গ | (২) খ | (৩) খ | (৪) ক | (৫) ক |
| (৬) খ | (৭) খ | (৮) ঘ | (৯) ক | (১০) ক |
| (১১) ঘ | (১২) | ১৩ | ১৪ | ১৫ |
| ১৬ | ১৭ | ১৮ | ১৯ | ২০ |
ii.
iii.
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক)i ও ii (খ) i ও iii (গ) ii ও iii (ঘ) i, ii ও iii
i.
ii.
iii.
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক)i ও ii (খ) i ও iii (গ) ii ও iii (ঘ) i, ii ও iii
i
ii
iii
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক)i ও ii (খ) i ও iii (গ) ii ও iii (ঘ) i, ii ও iii
i
ii
iii
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক)i ও ii (খ) i ও iii (গ) ii ও iii (ঘ) i, ii ও iii
i
ii
iii
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক)i ও ii (খ) i ও iii (গ) ii ও iii (ঘ) i, ii ও iii
2022 সালের প্রশ্ন ও উত্তরঃ
প্রশ্ন ১ : কী-বোর্ডকে প্রধান ইনপুট ডিভাইস বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: কী-বোর্ডকে প্রধান ইনপুট ডিভাইস বলা হয়। কারণ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অধিকাংশ যন্ত্রে কী-বোর্ডের মাধ্যমে নির্দেশনা দিতে হয়। বিশেষ করে কম্পিউটারে ওয়ার্ড প্রসেসিং কাজে একমাত্র কী-বোর্ড দিয়ে প্রায় সকল ধরনের নির্দেশনা দিতে হয়। কোনো কিছু লিখতে কী বার্ড আবশ্যক। কেননা কী-বোর্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন ভাষার কমান্ড থাকে। কী-বোর্ডে বর্ণ, সংখ্যা, চিহ্ন থাকে। একজন ব্যবহারকারী সহজেই সেগুলো কী-বোর্ড কমান্ডের মাধ্যমে ব্যবহার করতে পারেন। তাছাড়া কী বোর্ড দিয়ে যেসকল কাজ করা যাবে কিন্তু অন্যান্য ইনপুট যন্ত্র দিয়ে সে সব কাজ করা যায় না। এ কারণেই কী-বোর্ডকে প্রধান ইনপুট ডিভাইস বলা হয়।
প্রশ্ন ২ : মাইক্রোফোন ডিভাইস সম্পর্কে বর্ণনা করো।
উত্তর: মাইক্রোফোন ইনপুট যন্ত্র । এই যন্ত্র ব্যবহার করে আমরা কথা, গান বা যেকোনো ধরনের শব্দ কম্পিউটারে প্রবেশ করাতে পারি। বিশেষ করে অনলাইনভিত্তিক ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের ক্ষেত্রে কথা বলার জন্য এটি ব্যবহৃত হয়। টেলিফোন মাধ্যমে এটি ব্যবহৃত হয় বলে এ যন্ত্রটির আবিষ্কার অনেক আগেই হয়েছে। বর্তমানে এটি কম্পিউটার ও স্মার্টফোনে ইনপুট যন্ত্র হিসাবে ব্যবহার হয়। কথা বলা ছাড়াও ভয়েস রিকগনিশনের ক্ষেত্রে মাইক্রোফোন ব্যবহার হয়ে থাকে।
প্রশ্ন ৩ : কী-বোর্ড একটি ইনপুট ডিভাইস– ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: কম্পিউটারে ইনপুট দেওয়ার প্রধান এবং বহুল ব্যবহৃত যন্ত্র হলো কী বোর্ড। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অধিকাংশ যন্ত্রে সাধারণত কী বোর্ডের মাধ্যমে ইনপুট দেওয়া হয়। কম্পিউটার বা অন্যান্য যন্ত্র দিয়ে কোনো কাজ করতে চাইলে, এদের কিছু নির্দেশনা দিতে হয়। কী বোর্ডের বোতাম চেপে এ নির্দেশ বা ডেটা কম্পিউটার/যন্ত্রের মধ্যে প্রবেশ করানো হয়। তখন কম্পিউটার/যন্ত্রটি আমাদের নির্দেশ অনুযায়ী কাজটি করে দেয়। এ জন্য কী বোর্ড ইনপুট ডিভাইস হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়।
প্রশ্ন ৪ : কী বোর্ডের গঠন আলোচনা করো।
উত্তর: কম্পিউটারে বিভিন্ন তথ্য বা নির্দেশনা প্রদান করার অন্যতম মাধ্যম হিসাবে কী বোর্ড ব্যবহৃত হয়। আধুনিক কম্পিউটারের কী বোর্ডের ধারণা টাইপরাইটার থেকে এসেছে। কী বোর্ডে সাধারণত বর্ণ, সংখ্যা, অঙ্ক, প্রতীক ইত্যাদি বাটন বিন্যস্ত থাকে। এছাড়া এতে কম্পিউটার অপারেটিং, মাল্টিমিডিয়া ও ইন্টারনেট ব্যবহার ইত্যাদি কাজের জন্য অতিরিক্ত সুবিধা সম্বলিত বিশেষ বাটন থাকে। কী বোর্ড সাধারণ ইংরেজি ভাষায় হলেও অন্যান্য ভাষায় কী বোর্ড পাওয়া যায়। বর্তমানে বাংলা লেআউট যুক্ত কম্পিউটার কী বোর্ড পাওয়া যায়। কম্পিউটারে গেমস খেলা, গ্রাফিক্স এর কাজ করার জন্যও বিশেষ কিছু বাটনসহ কী বোর্ড পাওয়া যায়। সকল কী বোর্ড কম্পিউটারে ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যদিও গঠন ভিন্ন হয়।
প্রশ্ন ৫ : ডিজিটাল ক্যামেরা সম্পর্কে বুঝিয়ে বলো।
উত্তর: ডিজিটাল ক্যামেরা হচ্ছে এক ধরনের ইনপুট ডিভাইস। প্রথমদিকে মহাকাশ গবেষণার কাজে ডিজিটাল ক্যামেরা কম্পিউটারের ইনপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা শুরু হয়। বর্তমানে প্রায় সকল ডিজিটাল ক্যামেরাই কম্পিউটারের ইনপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ডিজিটাল ক্যামেরার ছবি বা ভিডিও ইউএসবি পোর্টের মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে যুক্ত করে কম্পিউটার ইনপুট হিসেবে প্রবেশ করানো হয়। ডিজিটাল ক্যামেরায় তোলা ছবি, ভিডিও ভালো মানের হয়ে থাকে। ডিজিটাল ক্যামেরায় ফিল্ম-এর বদলে মেমোরি ডিভাইস ব্যবহার করা হয়। ফিল্ম-এ ছবি তোলার সংখ্যা সীমিত কিন্তু ডিজিটাল ক্যামেরায় অসংখ্য ছবি তোলা যায়।
প্রশ্ন ৬ : স্ক্যানার সম্পর্কে বুঝিয়ে বলো।
উত্তর: স্ক্যানার হচ্ছে ছবি, লেখা বা ডকুমেন্ট বা কোনো বস্তুর ডিজিটাল প্রতিলিপি কম্পিউটারে দেওয়ার জন্য একটি ইনপুট ডিভাইস। আগে ফটোকপি মেশিনের সাহায্যে বিভিন্ন ডকুমেন্টের প্রতিলিপি করা হতো। কিন্তু এ প্রতিলিপিটি যতবার দরকার ততবারই মেশিন ব্যবহার করে প্রতিলিপি করতে হতো এবং তথ্যটি সংরক্ষিত করা যেত না। স্ক্যানার এ সমস্যাটির সমাধান দিয়েছে। স্ক্যানার ব্যবহার করে ছবি, ডকুমেন্ট বা কোনো বস্তুর ডিজিটাল প্রতিলিপি তৈরি করে কম্পিউটারে ফাইল আকারে সংরক্ষণ করা যায়। প্রয়োজনে এ ডিজিটাল প্রতিলিপি পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করে যে কোন সময়ে ব্যবহার করা যায়।
প্রশ্ন ৭ : ওএম আর (OMR) সম্পর্কে বুঝিয়ে বলো ৷
উত্তর: অপটিক্যাল মার্ক রিডার (Optical Mark Reader) এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে ওএম আর (OMR)। এটি একটি কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইস। এটি আলোর প্রতিফলন বিচার করে বিভিন্ন ধরনের তথ্য বুঝতে পারে। ওএম আরের কাজের ধরণ অনেকটা স্ক্যানারের মতো। বিশেষভাবে তৈরি করা কিছু দাগ বা চিহ্ন ওএম আর পড়তে বা বুঝতে পারে। আলোর প্রতিফলন ধর্ম ব্যবহার করে ওএম আর কাজ করে। বিভিন্ন পরীক্ষার বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরপত্র যাচাইয়ে, বাজার সমীক্ষা, বিভিন্ন জরিপের কাজে ওএম আর ব্যবহৃত হয়।
প্রশ্ন ৮ : র্যাম (RAM) কে অস্থায়ী মেমোরি বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: মাদারবোর্ডের প্রসেসর র্যামের যেকোনো জায়গা থেকে সরাসরি তথ্য সংগ্রহ করে বলে একে Random Access Memory বা সংক্ষেপে RAM বা র্যাম বলে। প্রসেসর র্যাম থেকে তথ্য নিয়ে তথ্য প্রক্রিয়াজাত করে। আর এ প্রক্রিয়াজাতকরণ বিদ্যুৎ প্রবাহের ওপর নির্ভরশীল। বিদ্যুৎ প্রবাহ থাকলে র্যাম থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে প্রসেসর প্রক্রিয়াজাত করতে পারে। আর বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হলে র্যামের সমস্ত ডেটা বা তথ্য মুছে যায়। র্যামে রাখা ডেটা বা তথ্য ব্যবহারকারী পরিবর্তন করতে পারে। এ সকল কারণে র্যামকে অস্থায়ী মেমোরি বলা হয়।
প্রশ্ন ৯ : রম (ROM) কে স্থায়ী মেমোরি বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: রম (ROM) অর্থাৎ Read Only Memory এটি প্রধান মেমোরির অন্যতম প্রধান। এটি মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে। কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার সচল রাখার জন্য কিছু নির্দেশনা প্রয়োজন হয়। এই নির্দেশনাগুলো ছাড়া কম্পিউটার চালু করা যায় না, বিধায় নিদের্শনাসমূহ ROM -এ স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। যা বিদ্যুৎ প্রবাহের উপর রম নির্ভর করে না। ফলে ব্যবহারকারীও বিশেষ ব্যবস্থা ছাড়া এ মোমোরির তথ্য মুছে ফেলতে পারে না। শুধুমাত্র পাঠ করা যায় বলে একে ROM বা Read Only Memory বলে। যেহেতু বিশেষ ব্যবস্থা ছাড়া এর তথ্য সংযোজন বা বিয়োজন করা যায় না তাই একে স্থায়ী মেমোরি বলা হয়।
প্রশ্ন ১০ : র্যাম (RAM) ও রম (ROM) এক নয় ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: র্যাম (RAM) কে Random Access Memory বলা হয়। এটি কম্পিউটার বা স্মার্ট ফোনের মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে। তথ্য প্রক্রিয়াকরণের সময় প্রসেসর সাময়িকভাবে তথ্য র্যামে জমা করে। আবার প্রয়োজনে র্যাম থেকে তথ্য নিয়ে প্রসেসর তথ্যা প্রক্রিয়াজাত করে । প্রসেসর র্যামের যেকোনো জায়গা থেকে সরাসরি তথ্য সংগ্রহ করে বলে একে dom Access Memory বলে। RAM এর Capacity যত বেশি হবে কম্পিউটার তত দ্রুতগতিতে কাজ করবে। তবে RAM এ তথ্য স্থায়ীভাবে থাকে না। অপরপক্ষে ROM বা Read Only Memory এটিও মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত থাকে৷ কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রগুলো চালু করার জন্য কিছু নির্দেশনার দরকার হয়। এই নির্দেশনাসমূহ রম (ROM)-এ স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। বিদ্যুৎ থাকা না থাকা উপর এই মেমোরি নির্ভর করে না। এবং রম এর তথ্য সহজেই মুছে ফেলা যায় না। শুধু পাঠ করা যায়। তাই পরিশেষে বলা যায় যে, র্যাম ও রম এক নয়।
উত্তর: কী-বোর্ডকে প্রধান ইনপুট ডিভাইস বলা হয়। কারণ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অধিকাংশ যন্ত্রে কী-বোর্ডের মাধ্যমে নির্দেশনা দিতে হয়। বিশেষ করে কম্পিউটারে ওয়ার্ড প্রসেসিং কাজে একমাত্র কী-বোর্ড দিয়ে প্রায় সকল ধরনের নির্দেশনা দিতে হয়। কোনো কিছু লিখতে কী বার্ড আবশ্যক। কেননা কী-বোর্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন ভাষার কমান্ড থাকে। কী-বোর্ডে বর্ণ, সংখ্যা, চিহ্ন থাকে। একজন ব্যবহারকারী সহজেই সেগুলো কী-বোর্ড কমান্ডের মাধ্যমে ব্যবহার করতে পারেন। তাছাড়া কী বোর্ড দিয়ে যেসকল কাজ করা যাবে কিন্তু অন্যান্য ইনপুট যন্ত্র দিয়ে সে সব কাজ করা যায় না। এ কারণেই কী-বোর্ডকে প্রধান ইনপুট ডিভাইস বলা হয়।
প্রশ্ন ২ : মাইক্রোফোন ডিভাইস সম্পর্কে বর্ণনা করো।
উত্তর: মাইক্রোফোন ইনপুট যন্ত্র । এই যন্ত্র ব্যবহার করে আমরা কথা, গান বা যেকোনো ধরনের শব্দ কম্পিউটারে প্রবেশ করাতে পারি। বিশেষ করে অনলাইনভিত্তিক ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের ক্ষেত্রে কথা বলার জন্য এটি ব্যবহৃত হয়। টেলিফোন মাধ্যমে এটি ব্যবহৃত হয় বলে এ যন্ত্রটির আবিষ্কার অনেক আগেই হয়েছে। বর্তমানে এটি কম্পিউটার ও স্মার্টফোনে ইনপুট যন্ত্র হিসাবে ব্যবহার হয়। কথা বলা ছাড়াও ভয়েস রিকগনিশনের ক্ষেত্রে মাইক্রোফোন ব্যবহার হয়ে থাকে।
প্রশ্ন ৩ : কী-বোর্ড একটি ইনপুট ডিভাইস– ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: কম্পিউটারে ইনপুট দেওয়ার প্রধান এবং বহুল ব্যবহৃত যন্ত্র হলো কী বোর্ড। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অধিকাংশ যন্ত্রে সাধারণত কী বোর্ডের মাধ্যমে ইনপুট দেওয়া হয়। কম্পিউটার বা অন্যান্য যন্ত্র দিয়ে কোনো কাজ করতে চাইলে, এদের কিছু নির্দেশনা দিতে হয়। কী বোর্ডের বোতাম চেপে এ নির্দেশ বা ডেটা কম্পিউটার/যন্ত্রের মধ্যে প্রবেশ করানো হয়। তখন কম্পিউটার/যন্ত্রটি আমাদের নির্দেশ অনুযায়ী কাজটি করে দেয়। এ জন্য কী বোর্ড ইনপুট ডিভাইস হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়।
প্রশ্ন ৪ : কী বোর্ডের গঠন আলোচনা করো।
উত্তর: কম্পিউটারে বিভিন্ন তথ্য বা নির্দেশনা প্রদান করার অন্যতম মাধ্যম হিসাবে কী বোর্ড ব্যবহৃত হয়। আধুনিক কম্পিউটারের কী বোর্ডের ধারণা টাইপরাইটার থেকে এসেছে। কী বোর্ডে সাধারণত বর্ণ, সংখ্যা, অঙ্ক, প্রতীক ইত্যাদি বাটন বিন্যস্ত থাকে। এছাড়া এতে কম্পিউটার অপারেটিং, মাল্টিমিডিয়া ও ইন্টারনেট ব্যবহার ইত্যাদি কাজের জন্য অতিরিক্ত সুবিধা সম্বলিত বিশেষ বাটন থাকে। কী বোর্ড সাধারণ ইংরেজি ভাষায় হলেও অন্যান্য ভাষায় কী বোর্ড পাওয়া যায়। বর্তমানে বাংলা লেআউট যুক্ত কম্পিউটার কী বোর্ড পাওয়া যায়। কম্পিউটারে গেমস খেলা, গ্রাফিক্স এর কাজ করার জন্যও বিশেষ কিছু বাটনসহ কী বোর্ড পাওয়া যায়। সকল কী বোর্ড কম্পিউটারে ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যদিও গঠন ভিন্ন হয়।
প্রশ্ন ৫ : ডিজিটাল ক্যামেরা সম্পর্কে বুঝিয়ে বলো।
উত্তর: ডিজিটাল ক্যামেরা হচ্ছে এক ধরনের ইনপুট ডিভাইস। প্রথমদিকে মহাকাশ গবেষণার কাজে ডিজিটাল ক্যামেরা কম্পিউটারের ইনপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা শুরু হয়। বর্তমানে প্রায় সকল ডিজিটাল ক্যামেরাই কম্পিউটারের ইনপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ডিজিটাল ক্যামেরার ছবি বা ভিডিও ইউএসবি পোর্টের মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে যুক্ত করে কম্পিউটার ইনপুট হিসেবে প্রবেশ করানো হয়। ডিজিটাল ক্যামেরায় তোলা ছবি, ভিডিও ভালো মানের হয়ে থাকে। ডিজিটাল ক্যামেরায় ফিল্ম-এর বদলে মেমোরি ডিভাইস ব্যবহার করা হয়। ফিল্ম-এ ছবি তোলার সংখ্যা সীমিত কিন্তু ডিজিটাল ক্যামেরায় অসংখ্য ছবি তোলা যায়।
প্রশ্ন ৬ : স্ক্যানার সম্পর্কে বুঝিয়ে বলো।
উত্তর: স্ক্যানার হচ্ছে ছবি, লেখা বা ডকুমেন্ট বা কোনো বস্তুর ডিজিটাল প্রতিলিপি কম্পিউটারে দেওয়ার জন্য একটি ইনপুট ডিভাইস। আগে ফটোকপি মেশিনের সাহায্যে বিভিন্ন ডকুমেন্টের প্রতিলিপি করা হতো। কিন্তু এ প্রতিলিপিটি যতবার দরকার ততবারই মেশিন ব্যবহার করে প্রতিলিপি করতে হতো এবং তথ্যটি সংরক্ষিত করা যেত না। স্ক্যানার এ সমস্যাটির সমাধান দিয়েছে। স্ক্যানার ব্যবহার করে ছবি, ডকুমেন্ট বা কোনো বস্তুর ডিজিটাল প্রতিলিপি তৈরি করে কম্পিউটারে ফাইল আকারে সংরক্ষণ করা যায়। প্রয়োজনে এ ডিজিটাল প্রতিলিপি পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করে যে কোন সময়ে ব্যবহার করা যায়।
প্রশ্ন ৭ : ওএম আর (OMR) সম্পর্কে বুঝিয়ে বলো ৷
উত্তর: অপটিক্যাল মার্ক রিডার (Optical Mark Reader) এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে ওএম আর (OMR)। এটি একটি কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইস। এটি আলোর প্রতিফলন বিচার করে বিভিন্ন ধরনের তথ্য বুঝতে পারে। ওএম আরের কাজের ধরণ অনেকটা স্ক্যানারের মতো। বিশেষভাবে তৈরি করা কিছু দাগ বা চিহ্ন ওএম আর পড়তে বা বুঝতে পারে। আলোর প্রতিফলন ধর্ম ব্যবহার করে ওএম আর কাজ করে। বিভিন্ন পরীক্ষার বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরপত্র যাচাইয়ে, বাজার সমীক্ষা, বিভিন্ন জরিপের কাজে ওএম আর ব্যবহৃত হয়।
প্রশ্ন ৮ : র্যাম (RAM) কে অস্থায়ী মেমোরি বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: মাদারবোর্ডের প্রসেসর র্যামের যেকোনো জায়গা থেকে সরাসরি তথ্য সংগ্রহ করে বলে একে Random Access Memory বা সংক্ষেপে RAM বা র্যাম বলে। প্রসেসর র্যাম থেকে তথ্য নিয়ে তথ্য প্রক্রিয়াজাত করে। আর এ প্রক্রিয়াজাতকরণ বিদ্যুৎ প্রবাহের ওপর নির্ভরশীল। বিদ্যুৎ প্রবাহ থাকলে র্যাম থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে প্রসেসর প্রক্রিয়াজাত করতে পারে। আর বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হলে র্যামের সমস্ত ডেটা বা তথ্য মুছে যায়। র্যামে রাখা ডেটা বা তথ্য ব্যবহারকারী পরিবর্তন করতে পারে। এ সকল কারণে র্যামকে অস্থায়ী মেমোরি বলা হয়।
প্রশ্ন ৯ : রম (ROM) কে স্থায়ী মেমোরি বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: রম (ROM) অর্থাৎ Read Only Memory এটি প্রধান মেমোরির অন্যতম প্রধান। এটি মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে। কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার সচল রাখার জন্য কিছু নির্দেশনা প্রয়োজন হয়। এই নির্দেশনাগুলো ছাড়া কম্পিউটার চালু করা যায় না, বিধায় নিদের্শনাসমূহ ROM -এ স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। যা বিদ্যুৎ প্রবাহের উপর রম নির্ভর করে না। ফলে ব্যবহারকারীও বিশেষ ব্যবস্থা ছাড়া এ মোমোরির তথ্য মুছে ফেলতে পারে না। শুধুমাত্র পাঠ করা যায় বলে একে ROM বা Read Only Memory বলে। যেহেতু বিশেষ ব্যবস্থা ছাড়া এর তথ্য সংযোজন বা বিয়োজন করা যায় না তাই একে স্থায়ী মেমোরি বলা হয়।
প্রশ্ন ১০ : র্যাম (RAM) ও রম (ROM) এক নয় ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: র্যাম (RAM) কে Random Access Memory বলা হয়। এটি কম্পিউটার বা স্মার্ট ফোনের মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে। তথ্য প্রক্রিয়াকরণের সময় প্রসেসর সাময়িকভাবে তথ্য র্যামে জমা করে। আবার প্রয়োজনে র্যাম থেকে তথ্য নিয়ে প্রসেসর তথ্যা প্রক্রিয়াজাত করে । প্রসেসর র্যামের যেকোনো জায়গা থেকে সরাসরি তথ্য সংগ্রহ করে বলে একে dom Access Memory বলে। RAM এর Capacity যত বেশি হবে কম্পিউটার তত দ্রুতগতিতে কাজ করবে। তবে RAM এ তথ্য স্থায়ীভাবে থাকে না। অপরপক্ষে ROM বা Read Only Memory এটিও মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত থাকে৷ কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রগুলো চালু করার জন্য কিছু নির্দেশনার দরকার হয়। এই নির্দেশনাসমূহ রম (ROM)-এ স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। বিদ্যুৎ থাকা না থাকা উপর এই মেমোরি নির্ভর করে না। এবং রম এর তথ্য সহজেই মুছে ফেলা যায় না। শুধু পাঠ করা যায়। তাই পরিশেষে বলা যায় যে, র্যাম ও রম এক নয়।
