সুরা বাকারার ৪৫--৪৬ নং আয়াতে মহান আল্লাহ ঘোষনা করেছেন
" ধৈর্যের সাথে সাহায্য প্রার্থনা কর নামাজের মাধ্যমে। অবশ্য তা যথেষ্ট কঠিন, কিন্তু সে সমস্ত বিনয়ী লোকদের পক্ষেই তা সম্ভব যারা একথা খেয়াল করে যে, অবশেষে তাদেরকে সম্মুখিন হতে হবে স্বীয় পরয়ার দিগারের এবং তারই দিকে ফিরে যেতে হবে। "
সুরা বাকারার ২১৬ নং আয়াতে মহান আল্লাহ ঘোষনা করেছেন
" জিহাদ তোমাদের উপর ফরজ করে দেওয়া হয়েছে অথচ তা তোমাদের কাছে কষ্টকর মনে হয়, হতে পারে তোমরা কোন জিনিসকে অপছন্দ করো অথচ তা তোমাদের জন্য ভালো। আর হতে পারে তোমরা কোনো জিনিসকে ভালোবাস অথচ তা তোমাদের জন্য খারাপ। আর আল্লাহ জানেন তোমরা জাননা।"
সুরা আল ইমরানের ৯২ নং আয়াতে আল্লাহ ঘোষনা করেছেন
" তোমরা কিছুতেই প্রকৃত কল্যাণ লাভ করতে পারবে না যে পর্যন্ত না তোমাদের প্রিয় বস্তু গুলোকে আল্লাহর পথে ব্যয় করবে। "
সুরা আল ইমরানের ১১০ নং আয়াতে আল্লাহ ঘোষনা করেছেন
"তোমরাই হলে সর্বোত্তম জাতী মানব জাতির কল্যানের জন্য তোমাদের উদ্ভব ঘটানো হয়েছে, তোমরা সৎ কাজের আদেশ দিবে এবং অন্যায় কাজের নিশেধ করবে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবে।"
সুরা আল ইমরানের ১৪২ নম্বর আয়াতে আল্লাহ পাক ঘোষনা করেছেন
"তোমাদের কি ধারণা তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে? অথচ আল্লাহ এখনো দেখেননি তোমাদের মধ্যে কারা জিহাদ করেছে এবং কারা ধৈ্য্যশীল"।
সুরা নিসার ৬৫ নং আয়াতে মহান আল্লাহ ঘোষণা করেছেন
" হে মোহাম্মদ (সঃ) তোমার পালন কর্তার কসম সে লোক ঈমানদার হবে না যতক্ষণ না তাদের মধ্যে সৃষ্ট বিবাদের ব্যাপারে তোমাকে ন্যায় বিচারক হিসাবে মেনে না নেয়। "
সুরা নিসার ৭৪ নং আয়াতে মহান আল্লাহ ঘোষণা করেছেন
"আল্লাহর কাছে যারা পার্থিব জীবনকে আখিরাতের পরিবর্তে বিক্রি করে দেয় তাদের জিহাদ করাই কর্তব্য। বস্তুত যারা আল্লাহর পথে লড়াই করে মৃত্যু বরন করে অথবা বিজয় অর্জন করে আমি তাদেরকে মহা পুর্ণ দান করব।"
সুরা মায়েদার ৩৫ নং আয়াতে মহান আল্লাহ ঘোষনা করেছেন
" ওহে তোমরা যারা ঈমান এনেছ, আল্লাহকে ভয় করো, মাধ্যম অন্বেষণ করো, সংগ্রাম অব্যাহত রাখ আল্লাহর পথে। আশা করা যায় তোমরা সফলতা অর্জন করবে। "
সুরা আনফালের ২২ আয়াতে মহান আল্লাহ ঘোষনা করেছেন
" আল্লাহর কাছে সবচেয়ে নিকৃষ্ট ধরণের জানোয়ার হচ্ছে সেই সব বধির ও বোকা লোক যারা বিবেক বুদ্ধিকে কাজে লাগায় না। "
সুরা আনফালের ৫৫ আয়াতে মহান আল্লাহ ঘোষনা করেছেন
" অবশ্যই আল্লাহর কাছে জমিনের উপর বিচরণশীল জীবের মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট হচ্ছে তারাই যারা সত্যকে মেনে নিতে অস্বীকার করেছে। "
সুরা আরাফ এর ১৭৯ আয়াতে মহান আল্লাহ ঘোষনা করেছেন
" বহু জীন ও মানুষ এমন আছে যাদেরকে আমি জাহান্নামের জন্যই সৃষ্টি করেছি। তাদের হৃদয় আছে কিন্তু তা দিয়ে তারা উপলব্দি করে না, তাদের চোখ আছে কিন্তু তা দিয়ে তারা দেখে না, তাদের কান আছে কিন্তু তা দিয়ে তারা শোনে না,তারা পশুর মতো বরং তাদের চাইতে ও অধম। এরা চরম গাফলতির মধ্যে হারিয়ে গেছে। "
সুরা ত্বহা এর ১২৪--১২৬ নং আয়াতে মহান আল্লাহ ঘোষনা করেছেন
" আর যে ব্যক্তি আমার জিকির অর্থাৎ কুরআন ও হাদিসের নসিহত হতে বিমুখ হবে তার জন্য দুনিয়ায় হবে সংকীর্ন জীবন, আর কিয়ামতের দিন আমরা তাকে অন্ধ করে উঠাব, সে বলবে হে আমার রব দুনিয়াতে আমি তো চক্ষুশমান ছিলাম কেন আমাকে অন্ধ করে তুললে? আল্লাহ বলবেন হ্যাঁ এমনি ভাবেইতো আমার আয়াতগুলো যখন তোমার নিকট এসেছিলো তখন তুমি তাকে ভূলে গিয়েছিলে, ঠিক তেমনি ভাবেই আজ তোমাকে ও ভূলে যাওয়া হচ্ছে। "
" ধৈর্যের সাথে সাহায্য প্রার্থনা কর নামাজের মাধ্যমে। অবশ্য তা যথেষ্ট কঠিন, কিন্তু সে সমস্ত বিনয়ী লোকদের পক্ষেই তা সম্ভব যারা একথা খেয়াল করে যে, অবশেষে তাদেরকে সম্মুখিন হতে হবে স্বীয় পরয়ার দিগারের এবং তারই দিকে ফিরে যেতে হবে। "
সুরা বাকারার ২১৬ নং আয়াতে মহান আল্লাহ ঘোষনা করেছেন
" জিহাদ তোমাদের উপর ফরজ করে দেওয়া হয়েছে অথচ তা তোমাদের কাছে কষ্টকর মনে হয়, হতে পারে তোমরা কোন জিনিসকে অপছন্দ করো অথচ তা তোমাদের জন্য ভালো। আর হতে পারে তোমরা কোনো জিনিসকে ভালোবাস অথচ তা তোমাদের জন্য খারাপ। আর আল্লাহ জানেন তোমরা জাননা।"
সুরা আল ইমরানের ৯২ নং আয়াতে আল্লাহ ঘোষনা করেছেন
" তোমরা কিছুতেই প্রকৃত কল্যাণ লাভ করতে পারবে না যে পর্যন্ত না তোমাদের প্রিয় বস্তু গুলোকে আল্লাহর পথে ব্যয় করবে। "
সুরা আল ইমরানের ১১০ নং আয়াতে আল্লাহ ঘোষনা করেছেন
"তোমরাই হলে সর্বোত্তম জাতী মানব জাতির কল্যানের জন্য তোমাদের উদ্ভব ঘটানো হয়েছে, তোমরা সৎ কাজের আদেশ দিবে এবং অন্যায় কাজের নিশেধ করবে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবে।"
সুরা আল ইমরানের ১৪২ নম্বর আয়াতে আল্লাহ পাক ঘোষনা করেছেন
"তোমাদের কি ধারণা তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে? অথচ আল্লাহ এখনো দেখেননি তোমাদের মধ্যে কারা জিহাদ করেছে এবং কারা ধৈ্য্যশীল"।
সুরা নিসার ৬৫ নং আয়াতে মহান আল্লাহ ঘোষণা করেছেন
" হে মোহাম্মদ (সঃ) তোমার পালন কর্তার কসম সে লোক ঈমানদার হবে না যতক্ষণ না তাদের মধ্যে সৃষ্ট বিবাদের ব্যাপারে তোমাকে ন্যায় বিচারক হিসাবে মেনে না নেয়। "
সুরা নিসার ৭৪ নং আয়াতে মহান আল্লাহ ঘোষণা করেছেন
"আল্লাহর কাছে যারা পার্থিব জীবনকে আখিরাতের পরিবর্তে বিক্রি করে দেয় তাদের জিহাদ করাই কর্তব্য। বস্তুত যারা আল্লাহর পথে লড়াই করে মৃত্যু বরন করে অথবা বিজয় অর্জন করে আমি তাদেরকে মহা পুর্ণ দান করব।"
সুরা মায়েদার ৩৫ নং আয়াতে মহান আল্লাহ ঘোষনা করেছেন
" ওহে তোমরা যারা ঈমান এনেছ, আল্লাহকে ভয় করো, মাধ্যম অন্বেষণ করো, সংগ্রাম অব্যাহত রাখ আল্লাহর পথে। আশা করা যায় তোমরা সফলতা অর্জন করবে। "
সুরা আনফালের ২২ আয়াতে মহান আল্লাহ ঘোষনা করেছেন
" আল্লাহর কাছে সবচেয়ে নিকৃষ্ট ধরণের জানোয়ার হচ্ছে সেই সব বধির ও বোকা লোক যারা বিবেক বুদ্ধিকে কাজে লাগায় না। "
সুরা আনফালের ৫৫ আয়াতে মহান আল্লাহ ঘোষনা করেছেন
" অবশ্যই আল্লাহর কাছে জমিনের উপর বিচরণশীল জীবের মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট হচ্ছে তারাই যারা সত্যকে মেনে নিতে অস্বীকার করেছে। "
সুরা আরাফ এর ১৭৯ আয়াতে মহান আল্লাহ ঘোষনা করেছেন
" বহু জীন ও মানুষ এমন আছে যাদেরকে আমি জাহান্নামের জন্যই সৃষ্টি করেছি। তাদের হৃদয় আছে কিন্তু তা দিয়ে তারা উপলব্দি করে না, তাদের চোখ আছে কিন্তু তা দিয়ে তারা দেখে না, তাদের কান আছে কিন্তু তা দিয়ে তারা শোনে না,তারা পশুর মতো বরং তাদের চাইতে ও অধম। এরা চরম গাফলতির মধ্যে হারিয়ে গেছে। "
সুরা ত্বহা এর ১২৪--১২৬ নং আয়াতে মহান আল্লাহ ঘোষনা করেছেন
" আর যে ব্যক্তি আমার জিকির অর্থাৎ কুরআন ও হাদিসের নসিহত হতে বিমুখ হবে তার জন্য দুনিয়ায় হবে সংকীর্ন জীবন, আর কিয়ামতের দিন আমরা তাকে অন্ধ করে উঠাব, সে বলবে হে আমার রব দুনিয়াতে আমি তো চক্ষুশমান ছিলাম কেন আমাকে অন্ধ করে তুললে? আল্লাহ বলবেন হ্যাঁ এমনি ভাবেইতো আমার আয়াতগুলো যখন তোমার নিকট এসেছিলো তখন তুমি তাকে ভূলে গিয়েছিলে, ঠিক তেমনি ভাবেই আজ তোমাকে ও ভূলে যাওয়া হচ্ছে। "
