ভাঙ্গা থানা:
ভাঙ্গা থানা গঠিত হয় ১৯০৮ সালে এবং থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয় ১৯৮৩ সালে। ভাঙ্গার পূর্বনাম কুমারগঞ্জ। ভাঙ্গা কুমার নদীর পাড়ে অবস্থিত। কথিত আছে কুমার নদীর পাড়ে কুমারগঞ্জ নামে একটি বিরাট হাট বসত। কোন এক সময় হাটকে কেন্দ্র করে কুমার নদীর এপার ওপারের লোকজনের মধ্যে দ্বন্দ্ব লাগে এবং দ্বন্দ্বের এক পর্যায়ে ওপারের লোকজন কুমারগঞ্জের হাট ভেঙ্গে ওপারের হাট চালু করে। চালুকৃত হাটকেই ভাঙ্গার হাট নামে নামকরণ করা হয়। এ থেকেই ভাংগা উপজেলার উৎপত্তি বলে স্থানীয় লোকমুখে জানা যায় । ভাংগা উপজেলা ১ টি পৌরসভা, ১২ টি ইউনিয়ন এবং ২১২ টি গ্রাম নিয়ে গঠিত। এর পূর্ব পাশে শিবচর উপজেলা উত্তরে সদরপুর উপজেলা দক্ষিনে রাজৈর ও নগরকান্দা উপজেলা এবং পশ্চিমে মুকসুদপুর উপজেলা অবস্থিত । প্রাচীনকাল থেকে ফরিদপুর জেলার কোন কোন অংশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। যেমন: কোটালীপাড়া, জালালপুর, ফতেহাবাদ ও ভাঙ্গা। মহাকবি কালিদাসের ভক্তি থেকে ভাঙ্গার বর্ণনা পাওয়া যায় যে এটি দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের সময় সমৃদ্ধ ছিল। গঙ্গার প্রবাহের দ্বারা নৌকা পরিচালনা ব্যবস্থা ও যুদ্ধের নৌচালনা সংক্রান্ত বিষেয়ের জন্য ভাঙ্গা প্রসিদ্ধি লাভ করেছিল।
উপজেলার বিখ্যাত ব্যাক্তিবর্গঃ শামসুদ্দিন মোল্লা , তারেক মাসুদ , ফকির আলমগীর ,
ফরিদপুর জেলা:
ফরিদপুর জেলার প্রতিষ্ঠা ১৭৮৬ সালে। মতান্তরে এ-জেলা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮১৫ সালে। ফরিদপুরের নামকরণ করা হয়েছে এখানকার প্রখ্যাত সুফি সাধক শাহ শেখ ফরিদুদ্দিনের নামানুসারে। এ জেলার পূর্বনাম ছিল ‘‘ফতেহাবাদ’’। ফরিদপুর জেলার প্রতিষ্ঠা সন ১৭৮৬ হলেও তখন এটির নাম ছিল জালালপুর এবং প্রধান কার্যালয় ছিল ঢাকা। ১৮০৭ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা জালালপুর হতে বিভক্ত হয়ে এটি ফরিদপুর জেলা নামে অভিহিত হয় এবং হেড কোয়ার্টার স্থাপন করা হয় ফরিদপুর শহরে। গোয়ালন্দ, ফরিদপুর সদর, মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জ এই চারটি মহকুমা সমন্বয়ে ফরিদপুর জেলা পূর্ণাঙ্গতা পায়। বর্তমানে বৃহত্তর ফরিদপুর জেলা ফরিদপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর এই পাঁচটি জেলায় রূপান্তরিত হয়েছে।
এই এলাকার প্রাচীন মসজিদগুলোর মধ্যে রয়েছে গেরদা মসজিদ (১০১৩ হিজরি), পাথরাইল মসজিদ ও দিঘী (১৪৯৩-১৫১৯ খ্রি.), সাতৈর মসজিদ (১৫১৯ খ্রি.)।
এলাকার অন্য উল্লেখযোগ্য স্থাপনা হলো ফতেহাবাদ টাঁকশাল (১৫১৯-৩২ খ্রি.), মথুরাপুরের দেউল, জেলা জজ কোর্ট ভবন (১৮৯৯ খ্রি.), এবং ভাঙ্গা মুন্সেফ কোর্ট ভবন(১৮৮৯ খ্রি.),ভাঙ্গা গোল চত্বর বসুদেব মন্দির ও জগবন্ধু আঙিনা ]
এর আয়াতন ৬৬.২৪ বর্গ কিলোমিটার। ফরিদপুর জেলায় মোট পৌরসভা ৬টি, ইউনিয়ন ৮১টি, গ্রাম ১৮৮৭টি। মোট উপজেলা ৯টি। সেগুলো হচ্ছেঃ
ফরিদপুর সদর উপজেলা
বোয়ালমারী উপজেলা
আলফাডাঙ্গা উপজেলা
মধুখালী উপজেলা
ভাঙ্গা উপজেলা
নগরকান্দা উপজেলা
চরভদ্রাসন উপজেলা
সদরপুর উপজেলা
সালথা উপজেলা
পৌরসভা ৬টি হচ্ছেঃ
ফরিদপুর পৌরসভা
বোয়ালমারী পৌরসভা
মধুখালী পৌরসভা
আলফাডাঙ্গা পৌরসভা
ভাঙ্গা পৌরসভা
নগরকান্দা পৌরসভা
নির্বাচনি এলাকাসমূহ
ফরিদপুর ১ : বোয়ালমারী, মধুখালী ও আলফাডাঙ্গা।
ফরিদপুর ২: নগরকান্দা, সালথা ও সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন।
ফরিদপুর ৩: ফরিদপুর সদর।
ফরিদপুর ৪: ভাঙ্গা, চরভদ্রাসন ও সদরপুর উপজেলা (কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন ব্যতীত)।
উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব
শামসুল হক ফরিদপুরী একজন বাংলাদেশী ইসলামি চিন্তাবিদ, প্রখ্যাত আলেম, সমাজ-সংস্কারক ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব। তিনি লালবাগ জামিয়া কুরআনিয়া আরাবিয়া কওমি মাদ্রাসা সহ গওহরডাঙ্গা কওমি মাদ্রাসা, ফরিদাবাদ কওমি মাদ্রাসা এবং বড় কাটারা কওমি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ছিলেন ব্রিটিশবিরোধী
শেখ মুজিবুর রহমান, সংক্ষিপ্তাকারে শেখ মুজিব বা বঙ্গবন্ধু, ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি ভারত বিভাজন আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং পরবর্তীকালে পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাধীন দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে
হাজী শরীয়তুল্লাহ (১৭৮১-১৮৪০) ধর্মীয় সংস্কারক, নীলকর ও সামন্তবাদ বিরোধী নেতা এবং ভারতবর্ষে সংঘটিত ফরায়েজি আন্দোলনের মুখপাত্র । তিনি শুধু ধর্মীয় সংস্কারক ছিলেন না, বরং কৃষক, তাঁতি এং অন্যান্য শ্রমজীবী মানুষকে শোষণ থেকে মুক্ত করার জন্য সংস্কার আন্দোলন পরিচালনা করেছিলেন।
মুন্সি আব্দুর রউফ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা আর অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান “বীর শ্রেষ্ঠ” উপাধিতে ভূষিত করা হয় তিনি তাঁদের অন্যতম। তিনি ১৯৬
আবদুল লতিফ ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী থানার চতুল ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতা ফকির মাহমুদ একজন আইনজীবী ছিলেন। ১৮৬২ সালে বঙ্গীয় আইন পরিষদের প্রথম মুসলিম সদস্য হিসেবে তিনি মনোনীত হন। বাংলার মুসলমানদের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষি
জসীম উদ্দীন একজন বাঙালি কবি, গীতিকার, ঔপন্যাসিক ও লেখক। 'পল্লীকবি' উপাধিতে ভূষিত, জসীম উদ্দীন আবহমান বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে লালিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ আধুনিক কবি। ঐতিহ্যবাহী বাংলা কবিতার মূল ধারাটিকে নগর সভায় নিয়ে আসার কৃতিত্ব জসীম উদ্দীনের। তার নকশী কাঁথার মাঠ ও
শামসুদ্দীন মোল্লা ছিলেন একজন বাংলাদেশি সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, সংসদ সদস্য, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রধান সংগঠক ও বাংলাদেশের সংবিধান রচয়িতা কমিটির অন্যতম সদস্য।
ভাঙ্গা থানা গঠিত হয় ১৯০৮ সালে এবং থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয় ১৯৮৩ সালে। ভাঙ্গার পূর্বনাম কুমারগঞ্জ। ভাঙ্গা কুমার নদীর পাড়ে অবস্থিত। কথিত আছে কুমার নদীর পাড়ে কুমারগঞ্জ নামে একটি বিরাট হাট বসত। কোন এক সময় হাটকে কেন্দ্র করে কুমার নদীর এপার ওপারের লোকজনের মধ্যে দ্বন্দ্ব লাগে এবং দ্বন্দ্বের এক পর্যায়ে ওপারের লোকজন কুমারগঞ্জের হাট ভেঙ্গে ওপারের হাট চালু করে। চালুকৃত হাটকেই ভাঙ্গার হাট নামে নামকরণ করা হয়। এ থেকেই ভাংগা উপজেলার উৎপত্তি বলে স্থানীয় লোকমুখে জানা যায় । ভাংগা উপজেলা ১ টি পৌরসভা, ১২ টি ইউনিয়ন এবং ২১২ টি গ্রাম নিয়ে গঠিত। এর পূর্ব পাশে শিবচর উপজেলা উত্তরে সদরপুর উপজেলা দক্ষিনে রাজৈর ও নগরকান্দা উপজেলা এবং পশ্চিমে মুকসুদপুর উপজেলা অবস্থিত । প্রাচীনকাল থেকে ফরিদপুর জেলার কোন কোন অংশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। যেমন: কোটালীপাড়া, জালালপুর, ফতেহাবাদ ও ভাঙ্গা। মহাকবি কালিদাসের ভক্তি থেকে ভাঙ্গার বর্ণনা পাওয়া যায় যে এটি দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের সময় সমৃদ্ধ ছিল। গঙ্গার প্রবাহের দ্বারা নৌকা পরিচালনা ব্যবস্থা ও যুদ্ধের নৌচালনা সংক্রান্ত বিষেয়ের জন্য ভাঙ্গা প্রসিদ্ধি লাভ করেছিল।
উপজেলার বিখ্যাত ব্যাক্তিবর্গঃ শামসুদ্দিন মোল্লা , তারেক মাসুদ , ফকির আলমগীর ,
ফরিদপুর জেলা:
ফরিদপুর জেলার প্রতিষ্ঠা ১৭৮৬ সালে। মতান্তরে এ-জেলা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮১৫ সালে। ফরিদপুরের নামকরণ করা হয়েছে এখানকার প্রখ্যাত সুফি সাধক শাহ শেখ ফরিদুদ্দিনের নামানুসারে। এ জেলার পূর্বনাম ছিল ‘‘ফতেহাবাদ’’। ফরিদপুর জেলার প্রতিষ্ঠা সন ১৭৮৬ হলেও তখন এটির নাম ছিল জালালপুর এবং প্রধান কার্যালয় ছিল ঢাকা। ১৮০৭ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা জালালপুর হতে বিভক্ত হয়ে এটি ফরিদপুর জেলা নামে অভিহিত হয় এবং হেড কোয়ার্টার স্থাপন করা হয় ফরিদপুর শহরে। গোয়ালন্দ, ফরিদপুর সদর, মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জ এই চারটি মহকুমা সমন্বয়ে ফরিদপুর জেলা পূর্ণাঙ্গতা পায়। বর্তমানে বৃহত্তর ফরিদপুর জেলা ফরিদপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর এই পাঁচটি জেলায় রূপান্তরিত হয়েছে।
এই এলাকার প্রাচীন মসজিদগুলোর মধ্যে রয়েছে গেরদা মসজিদ (১০১৩ হিজরি), পাথরাইল মসজিদ ও দিঘী (১৪৯৩-১৫১৯ খ্রি.), সাতৈর মসজিদ (১৫১৯ খ্রি.)।
এলাকার অন্য উল্লেখযোগ্য স্থাপনা হলো ফতেহাবাদ টাঁকশাল (১৫১৯-৩২ খ্রি.), মথুরাপুরের দেউল, জেলা জজ কোর্ট ভবন (১৮৯৯ খ্রি.), এবং ভাঙ্গা মুন্সেফ কোর্ট ভবন(১৮৮৯ খ্রি.),ভাঙ্গা গোল চত্বর বসুদেব মন্দির ও জগবন্ধু আঙিনা ]
এর আয়াতন ৬৬.২৪ বর্গ কিলোমিটার। ফরিদপুর জেলায় মোট পৌরসভা ৬টি, ইউনিয়ন ৮১টি, গ্রাম ১৮৮৭টি। মোট উপজেলা ৯টি। সেগুলো হচ্ছেঃ
ফরিদপুর সদর উপজেলা
বোয়ালমারী উপজেলা
আলফাডাঙ্গা উপজেলা
মধুখালী উপজেলা
ভাঙ্গা উপজেলা
নগরকান্দা উপজেলা
চরভদ্রাসন উপজেলা
সদরপুর উপজেলা
সালথা উপজেলা
পৌরসভা ৬টি হচ্ছেঃ
ফরিদপুর পৌরসভা
বোয়ালমারী পৌরসভা
মধুখালী পৌরসভা
আলফাডাঙ্গা পৌরসভা
ভাঙ্গা পৌরসভা
নগরকান্দা পৌরসভা
নির্বাচনি এলাকাসমূহ
ফরিদপুর ১ : বোয়ালমারী, মধুখালী ও আলফাডাঙ্গা।
ফরিদপুর ২: নগরকান্দা, সালথা ও সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন।
ফরিদপুর ৩: ফরিদপুর সদর।
ফরিদপুর ৪: ভাঙ্গা, চরভদ্রাসন ও সদরপুর উপজেলা (কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন ব্যতীত)।
উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব
শামসুল হক ফরিদপুরী একজন বাংলাদেশী ইসলামি চিন্তাবিদ, প্রখ্যাত আলেম, সমাজ-সংস্কারক ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব। তিনি লালবাগ জামিয়া কুরআনিয়া আরাবিয়া কওমি মাদ্রাসা সহ গওহরডাঙ্গা কওমি মাদ্রাসা, ফরিদাবাদ কওমি মাদ্রাসা এবং বড় কাটারা কওমি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ছিলেন ব্রিটিশবিরোধী
শেখ মুজিবুর রহমান, সংক্ষিপ্তাকারে শেখ মুজিব বা বঙ্গবন্ধু, ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি ভারত বিভাজন আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং পরবর্তীকালে পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাধীন দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে
হাজী শরীয়তুল্লাহ (১৭৮১-১৮৪০) ধর্মীয় সংস্কারক, নীলকর ও সামন্তবাদ বিরোধী নেতা এবং ভারতবর্ষে সংঘটিত ফরায়েজি আন্দোলনের মুখপাত্র । তিনি শুধু ধর্মীয় সংস্কারক ছিলেন না, বরং কৃষক, তাঁতি এং অন্যান্য শ্রমজীবী মানুষকে শোষণ থেকে মুক্ত করার জন্য সংস্কার আন্দোলন পরিচালনা করেছিলেন।
মুন্সি আব্দুর রউফ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা আর অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান “বীর শ্রেষ্ঠ” উপাধিতে ভূষিত করা হয় তিনি তাঁদের অন্যতম। তিনি ১৯৬
আবদুল লতিফ ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী থানার চতুল ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতা ফকির মাহমুদ একজন আইনজীবী ছিলেন। ১৮৬২ সালে বঙ্গীয় আইন পরিষদের প্রথম মুসলিম সদস্য হিসেবে তিনি মনোনীত হন। বাংলার মুসলমানদের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষি
জসীম উদ্দীন একজন বাঙালি কবি, গীতিকার, ঔপন্যাসিক ও লেখক। 'পল্লীকবি' উপাধিতে ভূষিত, জসীম উদ্দীন আবহমান বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে লালিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ আধুনিক কবি। ঐতিহ্যবাহী বাংলা কবিতার মূল ধারাটিকে নগর সভায় নিয়ে আসার কৃতিত্ব জসীম উদ্দীনের। তার নকশী কাঁথার মাঠ ও
শামসুদ্দীন মোল্লা ছিলেন একজন বাংলাদেশি সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, সংসদ সদস্য, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রধান সংগঠক ও বাংলাদেশের সংবিধান রচয়িতা কমিটির অন্যতম সদস্য।
