ইতিহাস স্বীকৃত সত্য মিথ্যার দ্বন্ধ চিরন্তন। মানুষের মহা মুক্তির মহা সনদ হচ্ছে জিহাদ ফিসাবিলিল্লাহ। যে জমিনে আল্লাহর হুকুমাত বা খেলাফতে ইলাহিয়া কায়েম নেই সেখানে
খেলাফতে ইলাহিয়া কায়েমের প্রানপন চেষ্টা করে যাওয়ার নাম জিহাদ।
এটা ফরজ অন্য সকল ফরজ ইবাদতের মতো। আর এটাই হচ্ছে পুরকালীন ভয়াবহতম শাস্তি হতে পরিত্রানের একমাত্র মাধ্যম এবং গ্যারান্টি।
আর যে জনপদে জিহাদ ফিসাবিলিল্লাহের কাজ চালু থাকবে না সে জনপদ এবং তার অধিবাসীদেরকে আল্লাহ লাঞ্চিত ও অপমানিত করবেন বিভিন্ন উপায়ে সে কথাই প্রতিধ্বনিত হচ্ছে কুরআন ও হাদিসের মাধ্যমে।
প্রিয় উপস্থিতি ইসলামী আন্দলন করা ফরজ। পবিত্র কুরআনের সুরা বাকারার ২১৬ নং আয়াতে মহান আল্লাহ ঘোষনা করেছেন," জিহাদ তোমাদের উপর ফরজ করে দেওয়া হয়েছে অথচ তা তোমাদের কাছে কষ্টকর মনে হয়, হতে পারে তোমরা কোন জিনিসকে অপছন্দ করো অথচ তা তোমাদের জন্য ভালো। আর হতে পারে তোমরা কোনো জিনিসকে ভালোবাস অথচ তা তোমাদের জন্য খারাপ। আর আল্লাহ জানেন তোমরা জাননা।"
এ আয়াতে কারিমের মাধ্যমে জানতে পারলাম মহান আল্লাহ মানব জাতীর জন্য জিহাদ ফরজ করে দিয়েছেন, নামাজ রোজা হজ্জ্ব যাকাত অন্য সকল ফরজ ইবাদতের মতো।
প্রিয় উপস্থিতি জিহাদ শুধু ফরজ নয় সবচেয়ে বড় ফরজ।
এ সম্পর্কে একটি হাদিস পেশ করছি।
হযরত মুয়াজ ইবনে জাবাল (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে নবী করিম (সঃ) বলেছেন,"আমি কি তোমাদেরকে প্রকৃত ব্যাপারের মূল এর স্তম্ভ এবং এর সর্বোচ্চ চুড়া কি তা বলব? আমি বললাম ইয়া রাসূলুল্লাহ আপনি অবশ্যই তা আমাদেরকে বলবেন। তখন রাসূল (সঃ) এরশাদ করলেন প্রকৃত ব্যাপারের মূল হইতেছে ইসলাম, মূল সূত্র হইতেছে নামাজ এবং এর সর্বোচ্চ চুড়া হইতেছে জিহাদ "(তিরমিজি )
প্রিয় উপস্থিতি, জিহাদ ইসলামের ফল। ফলকে অস্বীকার করার অর্থ মূল গাছেরই অস্বিকৃতি। অনুরূপ ভাবে জিহাদের আবশ্যকতা, প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করলে এবং তা সজত্নে এড়িয়ে চলতে চাইলে মূল ইসলামকেই করা হয় অস্বীকার।
সুরা আল ইমরানের ১৪২ নম্বর আয়াতে আল্লাহ পাক ঘোষনা করেছেন,"তোমাদের কি ধারণা তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে? অথচ আল্লাহ এখনো দেখেননি তোমাদের মধ্যে কারা জিহাদ করেছে এবং কারা ধৈ্য্যশীল"।
সুরা নিসার ৭৪ নং আয়াতে বলা হয়েছে, "আল্লাহর কাছে যারা পার্থিব জীবনকে আখিরাতের পরিবর্তে বিক্রি করে দেয় তাদের জিহাদ করাই কর্তব্য। বস্তুত যারা আল্লাহর পথে লড়াই করে মৃত্যু বরন করে অথবা বিজয় অর্জন করে আমি তাদেরকে মহা পুর্ণ দান করব।"
সুরা আল ইমরানের ১১০ নং আয়াতে আল্লাহ ঘোষনা করেছেন,"তোমরাই হলে সর্বোত্তম জাতী মানব জাতির কল্যানের জন্য তোমাদের উদ্ভব ঘটানো হয়েছে, তোমরা সৎ কাজের আদেশ দিবে এবং অন্যায় কাজের নিশেধ করবে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবে।"
প্রিয় উপস্থিতি আমরা অনেকেই শাহাদাতের মর্যাদা চাই, কিন্তু ইসলামী আন্দোলনে অংশগ্রহণ করিনা। এ সব লোকের উদাহরণ হলো ঐ লোকের মতো যে গলায় কলসি বেধে হাটু পানিতে ডুব দেয় আর ওঠে, এমতাবস্থায় এক পথিক তাকে জিজ্ঞেস করে ভাই আপনি কি করছেন? লোকটি বলে আমি পানিতে ডুবে মরতে চাই তাই গলায় কলসি বেধে নেমেছি। পথিক বললো তাহলে ওখানে কেন যেখানে বেশি পানি সেখানে যান। লোকটি বললো সেখানে যেতে তো আমার ভয় করে। - - -
এটা ফরজ অন্য সকল ফরজ ইবাদতের মতো। আর এটাই হচ্ছে পুরকালীন ভয়াবহতম শাস্তি হতে পরিত্রানের একমাত্র মাধ্যম এবং গ্যারান্টি।
আর যে জনপদে জিহাদ ফিসাবিলিল্লাহের কাজ চালু থাকবে না সে জনপদ এবং তার অধিবাসীদেরকে আল্লাহ লাঞ্চিত ও অপমানিত করবেন বিভিন্ন উপায়ে সে কথাই প্রতিধ্বনিত হচ্ছে কুরআন ও হাদিসের মাধ্যমে।
প্রিয় উপস্থিতি ইসলামী আন্দলন করা ফরজ। পবিত্র কুরআনের সুরা বাকারার ২১৬ নং আয়াতে মহান আল্লাহ ঘোষনা করেছেন," জিহাদ তোমাদের উপর ফরজ করে দেওয়া হয়েছে অথচ তা তোমাদের কাছে কষ্টকর মনে হয়, হতে পারে তোমরা কোন জিনিসকে অপছন্দ করো অথচ তা তোমাদের জন্য ভালো। আর হতে পারে তোমরা কোনো জিনিসকে ভালোবাস অথচ তা তোমাদের জন্য খারাপ। আর আল্লাহ জানেন তোমরা জাননা।"
এ আয়াতে কারিমের মাধ্যমে জানতে পারলাম মহান আল্লাহ মানব জাতীর জন্য জিহাদ ফরজ করে দিয়েছেন, নামাজ রোজা হজ্জ্ব যাকাত অন্য সকল ফরজ ইবাদতের মতো।
প্রিয় উপস্থিতি জিহাদ শুধু ফরজ নয় সবচেয়ে বড় ফরজ।
এ সম্পর্কে একটি হাদিস পেশ করছি।
হযরত মুয়াজ ইবনে জাবাল (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে নবী করিম (সঃ) বলেছেন,"আমি কি তোমাদেরকে প্রকৃত ব্যাপারের মূল এর স্তম্ভ এবং এর সর্বোচ্চ চুড়া কি তা বলব? আমি বললাম ইয়া রাসূলুল্লাহ আপনি অবশ্যই তা আমাদেরকে বলবেন। তখন রাসূল (সঃ) এরশাদ করলেন প্রকৃত ব্যাপারের মূল হইতেছে ইসলাম, মূল সূত্র হইতেছে নামাজ এবং এর সর্বোচ্চ চুড়া হইতেছে জিহাদ "(তিরমিজি )
প্রিয় উপস্থিতি, জিহাদ ইসলামের ফল। ফলকে অস্বীকার করার অর্থ মূল গাছেরই অস্বিকৃতি। অনুরূপ ভাবে জিহাদের আবশ্যকতা, প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করলে এবং তা সজত্নে এড়িয়ে চলতে চাইলে মূল ইসলামকেই করা হয় অস্বীকার।
সুরা আল ইমরানের ১৪২ নম্বর আয়াতে আল্লাহ পাক ঘোষনা করেছেন,"তোমাদের কি ধারণা তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে? অথচ আল্লাহ এখনো দেখেননি তোমাদের মধ্যে কারা জিহাদ করেছে এবং কারা ধৈ্য্যশীল"।
সুরা নিসার ৭৪ নং আয়াতে বলা হয়েছে, "আল্লাহর কাছে যারা পার্থিব জীবনকে আখিরাতের পরিবর্তে বিক্রি করে দেয় তাদের জিহাদ করাই কর্তব্য। বস্তুত যারা আল্লাহর পথে লড়াই করে মৃত্যু বরন করে অথবা বিজয় অর্জন করে আমি তাদেরকে মহা পুর্ণ দান করব।"
সুরা আল ইমরানের ১১০ নং আয়াতে আল্লাহ ঘোষনা করেছেন,"তোমরাই হলে সর্বোত্তম জাতী মানব জাতির কল্যানের জন্য তোমাদের উদ্ভব ঘটানো হয়েছে, তোমরা সৎ কাজের আদেশ দিবে এবং অন্যায় কাজের নিশেধ করবে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবে।"
প্রিয় উপস্থিতি আমরা অনেকেই শাহাদাতের মর্যাদা চাই, কিন্তু ইসলামী আন্দোলনে অংশগ্রহণ করিনা। এ সব লোকের উদাহরণ হলো ঐ লোকের মতো যে গলায় কলসি বেধে হাটু পানিতে ডুব দেয় আর ওঠে, এমতাবস্থায় এক পথিক তাকে জিজ্ঞেস করে ভাই আপনি কি করছেন? লোকটি বলে আমি পানিতে ডুবে মরতে চাই তাই গলায় কলসি বেধে নেমেছি। পথিক বললো তাহলে ওখানে কেন যেখানে বেশি পানি সেখানে যান। লোকটি বললো সেখানে যেতে তো আমার ভয় করে। - - -
জিহাদ ফি-সাবি লিল্লাহ্